পুলিশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

পুলিশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) , এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের ছয় কর্মকর্তা নয় বছর ধরে তদন্ত করেও একটি

মামলায় ১১ কেজি সোনার সন্ধান পায়নি। ‘আসল পাচারকারী’কেও ধরতে পারেনি। দীর্ঘ দিনের এই তদন্তে অভিযুক্তদের ঠিকানাই বের

করা সম্ভব হয়েছে।এ মামলায় সম্প্রতি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও

তদন্ত বিভাগ।ঘটনাটি ঘটে ২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর। ওইদিন রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোহাম্মদ

আকবর হোসেন নামে এক ব্যক্তি অবতরণ করেন। শুল্ক ও গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা আকবরের ব্যাগ তল্লাশি করে ১১ কেজি সোনার

রসিদ পান। জিজ্ঞাসাবাদে আকবর স্বীকার করেন, ইমরান আহমেদ ওরফে সবুজ নামে এক ব্যক্তির নির্দেশে তিনি বিমানের একটি নির্দিষ্ট

আসনের নিচে সোনার বারগুলো ফেলে রেখেছিলেন।এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় শুল্ক

পুলিশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আকবর ও ইমরান দুজনই সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামে। আকবর জামিনে আছেন। তাকে নির্দোষ দাবি করে আদালতে রিট করেছেন তার আইনজীবী।মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।নথি থেকে জানা যায়, মামলাটি প্রাথমিকভাবে প্রায় আট মাস তদন্ত করে বিমানবন্দর পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় দুই বছর মামলাটি দুদকের কাছে ছিল। তবে চোরাচালান ও শুল্ক সংক্রান্ত অপরাধ দুদকের (শিডিউলড) আওতাভুক্ত না হওয়ায় ২০১৬ সালে এ মামলার তদন্ত শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরে যায়। এজেন্সির চার তদন্ত কর্মকর্তা ছয় বছর ধরে তদন্ত

অভিযোগ অনুযায়ী বিমানের সিটের

অভিযোগ অনুযায়ী বিমানের সিটের নিচে আকবরের রেখে যাওয়া সোনা কে বা কী করে বের করে এনেছিল তার কোনো উল্লেখ ছিল না।আকবরকে 2016 সালে শুল্ক গোয়েন্দা এবং তদন্ত বিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বিটন চাকমা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন, যিনি সেই সময়ে তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মামলার অন্যতম আসামি ইমরানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাচ্ছে না। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও তথ্য পাওয়া যেত। ‘আকবর বারবার বিদেশে যেতেনআকবরের পাসপোর্টের তথ্য পর্যালোচনা করার পর, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগ আদালতকে জানায় যে আকবর 16 অক্টোবর, 2013 থেকে একই বছরের 6 ডিসেম্বরের মধ্যে তিনবার দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন। সে বারবার দুবাই গিয়ে সেখান থেকে টাকা পাচার করে সোনা কিনে দেশে ফিরিয়ে আনে।

আরো পড়ুন 

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.